মূল অংশে যান
রায় চৌধুরী বিল্ডার্সত্রিপুরা · 1993
আগরতলার অনলাইন নির্মাণ সমাধান

ত্রিপুরা · ১৯৯৩ সাল থেকে

ভিত্তি থেকে শেষ কল পর্যন্ত।

ত্রিপুরা জুড়ে ৩৩ বছর ধরে নির্মাণ, প্লাম্বিং ও স্যানিটেশনের কাজ। প্রথম ইট থেকে চাবি আপনার হাতে দেওয়া পর্যন্ত — একই টিম।

বিনামূল্যে সাইট দেখা ও খরচের হিসাব। কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

৩৩
বছরের অভিজ্ঞতা১৯৯৩ থেকে একই পরিবার
১০০+
সম্পন্ন প্রকল্পত্রিপুরা জুড়ে
₹১ কোটি
সবচেয়ে বড় প্রকল্পশুরু থেকে হস্তান্তর
২৫+
কর্মী সংখ্যানিজস্ব দক্ষ শ্রমিক দল

আমরা যেভাবে কাজ করি

পুরনো বাড়ির বেশিরভাগ সমস্যা শুরু হয় দুই কাজের সংযোগস্থলে।

রাজমিস্ত্রি দেয়াল তোলে। পরে অন্য একজন প্লাম্বার এসে সেই দেয়াল কাটে। এরপর যা হয়, তার দায় কেউ নেয় না। আমরা দুটো কাজই একই চুক্তিতে করি — তাই আপনার সাইটে ওই ফাঁকটাই থাকে না।

যে চারটি জায়গায় আমরা ফাঁকি দিই না

কাঠামো

মাটি বুঝে যতটা গভীরে দরকার, ততটাই ভিত

নিয়ম মেনে ইট গাঁথা, প্রতিটি লাইন প্লাম্ব করে দেখা, প্লাস্টার সমান করে টানা। যে দেয়াল প্রথম দিন ঠিক দেখায় অথচ তিন বছরে ফেটে যায়, সেটা আসলে কোনোদিনই ঠিক ছিল না।

লাইন

পাইপ কাঠামোর পরিকল্পনায় থাকে, পরে কেটে ঢোকানো হয় না

দেয়াল দু'বার ভাঙলে খরচ দ্বিগুণ। প্লাস্টার পড়ার আগেই জলের লাইন আর নিকাশি বসে যায়, প্রতিটি লাইন চাপ দিয়ে পরীক্ষা হয়, আর কোথায় কী গেছে তার একটা নকশা আপনি পান।

স্যানিটেশন

টাইলসের নিচে ওয়াটারপ্রুফিং, উপরে রং নয়

পরিবারের মাপ বুঝে সেপটিক ট্যাঙ্ক। ঠিকমতো জল টেনে নেয় এমন ফ্লোর ট্র্যাপ। এই কাজের যে অংশে ফাঁকি দেওয়া হয়, সেটা দুটো বর্ষা পরে ধরা পড়ে।

হস্তান্তর

পরিষ্কার করে, পরীক্ষা করে, কথামতো দিনেই

ত্রিপুরায় ৩৩ বছর কাজ করার মানে — বর্ষা একটা বাড়ির কী হাল করে আমরা জানি, স্থানীয় সাপ্লায়ার আসলে কতটা দিতে পারে জানি, আর একটা কাজে সত্যি কত সময় লাগে সেটাও জানি।

পরিষেবা

আমরা যা তৈরি করি ও সারাই

নির্মাণ আর প্লাম্বিং একই চুক্তিতে — তাই দায়িত্ব নেওয়ার জন্য একটাই টিম থাকে, দু'পক্ষ একে অপরের ঘাড়ে দোষ চাপায় না।

কেন আমরা

মানুষ কেন আবার আমাদের ডাকেন

  • ৩৩ বছর, একই পরিবার

    ১৯৯৩ সাল থেকে একই পরিবার এই ব্যবসা চালাচ্ছে। যিনি আপনার কাজের হিসাব দেবেন, তিনিই কাজটা তদারক করবেন — এমন কোনো লোক নয় যিনি কথা বলে আপনাকে অচেনা একটা দলের হাতে ছেড়ে দেন।

  • নির্মাণ ও প্লাম্বিং একই চুক্তিতে

    রাজমিস্ত্রি আর আলাদা প্লাম্বারের মধ্যে সমন্বয় করতে হবে না, কোথাও লিক করলে একে অপরের ঘাড়ে দোষও চাপবে না। একটাই টিম, একটাই দায়িত্বের জায়গা, একটাই নম্বর।

  • লিখিত হিসাব ধরে কাজ

    কাজ শুরুর আগেই খুঁটিনাটি ধরে খরচের হিসাব পাবেন, আর তাতে কিছু বদলালে আগেই জানানো হবে। হস্তান্তরের সময় হঠাৎ করে বাড়তি অঙ্ক নেই।

  • যে সাপ্লাই চেন সত্যিই মাল পৌঁছয়

    ত্রিপুরা জুড়ে তিন দশকের পরিচিতির মানে — কথামতো সময়ের কাছাকাছি মাল এসে পৌঁছয়, আর যে দামে কথা হয়েছিল সেই দামেই।

কাজের ধরন

কাজটা কীভাবে এগোয়

চারটে ধাপ, মাঝখানে কোনো চমক নেই।

  1. 01

    আপনি ফোন বা মেসেজ করুন

    মোটামুটি কী দরকার বলুন। আধ দিনের কাজ না ছ' মাসের কাজ — সেটা সাধারণত ফোনেই বোঝা যায়।

  2. 02

    আমরা এসে দেখে যাই

    আমাদের এলাকার মধ্যে যেকোনো জায়গায় বিনামূল্যে সাইট পরিদর্শন। মাপজোক করি, মাটি আর পুরনো লাইন দেখে নিই, আর আপনি ঠিক কী চান সেটা জেনে নিই — আমাদের যেটা বেচতে সুবিধা সেটা নয়।

  3. 03

    লিখিত হিসাব

    মাল ও মজুরি ধরে খুঁটিনাটি হিসাব, সাথে যে সময়সীমা আমরা নিজেরাই বিশ্বাস করি। ভেবে দেখুন, তুলনা করুন, যেকোনো লাইন নিয়ে প্রশ্ন করুন।

  4. 04

    কাজ চলে, আপনি দেখেন

    নিয়মিত খবর পাবেন, আর যখন খুশি সাইটে আসতে পারেন। যতটা কাজ হয়েছে, সেই অনুযায়ী ধাপে ধাপে পেমেন্ট।

প্রশ্নোত্তর

যে প্রশ্নগুলো প্রায়ই আসে

ছোট মেরামতির কাজ করেন, নাকি শুধু গোটা বাড়ি?

দুটোই। বন্ধ ড্রেন বা লিক করা কল — এসব কাজ নতুন বাড়ির মতোই সমান গুরুত্ব পায়। আমাদের বহু পুরনো ক্লায়েন্টের সঙ্গে শুরুটা এমন ছোট কাজ দিয়েই হয়েছিল।

ত্রিপুরায় একটা বাড়ি বানাতে কত খরচ পড়ে?

স্কোয়ার ফুটের চেয়ে ফিনিশিং কেমন চান তার উপর খরচ অনেক বেশি নির্ভর করে। তাই একটা প্রতি-স্কোয়ার-ফুট রেট বলে দেওয়ার চেয়ে — যেটা আপনি টাইলস পছন্দ করার পরেই অর্থহীন হয়ে যায় — এসে দেখে সত্যিকারের হিসাব দেওয়াটাই ভালো।

আগরতলার বাইরে কাজ করেন?

হ্যাঁ, ত্রিপুরার বেশিরভাগ জায়গায়। দূরত্বে দামের চেয়ে সময়সীমায় বেশি প্রভাব পড়ে। আপনার এলাকার কথা ফোন করে জেনে নিন।

বাড়ি অন্য কেউ বানাচ্ছে, শুধু প্লাম্বিংটা করাতে পারি?

পারেন। আমাদের কাজের একটা বড় অংশই অন্য ঠিকাদারের সাইটে প্লাম্বিং আর স্যানিটেশন।

পেমেন্ট কীভাবে হয়?

যতটা কাজ সত্যিই হয়েছে, সেই অনুযায়ী ধাপে ধাপে। শুরুতেই বড় অঙ্কের কিছু লাগে না।

কত তাড়াতাড়ি শুরু করতে পারবেন?

মরসুম আর হাতে এখন কী কাজ আছে তার উপর নির্ভর করে। ফোন করে জেনে নিন — রাখতে পারব না এমন তারিখ দেওয়ার চেয়ে সত্যিটা বলাই ভালো।

আপনার প্রয়োজনটা বলুন। আমরা এসে দেখে যাব।

একটা ফোনে আপনার কিছু খরচ নেই, আর সাধারণত অর্ধেক প্রশ্নের উত্তর সেখানেই মিলে যায়। আমাদের এলাকার মধ্যে সাইট দেখা আর খরচের হিসাব — দুটোই বিনামূল্যে।

যোগাযোগ

সার্ভিস বা ফোন বুক করুন

আপনার কী দরকার জানান, আমরা সার্ভিস ভিজিটের ব্যবস্থা করব বা ফোন করে নেব — সাধারণত এক দিনের মধ্যে। জরুরি হলে ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন, সেটা আমাদের কাছে তাড়াতাড়ি পৌঁছয়।

এটাই একমাত্র সত্যিই দরকারি তথ্য। এই নম্বরেই ফোন করব।
হোয়াটসঅ্যাপফোন